স্টাফ রিপোর্টার

নাটোরে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় হামলার ঘটনায় মিজানুর রহমান (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে নাটোর জেলার দিয়ারসাতুরিয়া লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা কিরণ (২৪)-এর কাছে কিছু চাঁদাবাজ ৪৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। কিরণ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এ সময় মিজানুর রহমান ও তার পিতা রুস্তম আলী মোল্লা (৭১) প্রতিবাদ করতে গেলে হামলাকারীরা তাদের গালিগালাজ করে এবং হুমকি দিয়ে চলে যায়।
এরই জের ধরে গত ২৪ মে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নাটোর সদর থানার ৪নং লক্ষীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের হয়বতপুর বাজারের পূর্ব পাশে মন্টুর সারের গোডাউনের সামনে মিজানুর রহমানকে একা পেয়ে আবারও হামলা চালানো হয়। অভিযোগে বলা হয়, সোহেল রানা রাজীব ও গ্রেফতারকৃত সুমনের নেতৃত্বে আরও ৫-৬ জন ধারালো অস্ত্র—হাসুয়া, চাইনিজ কুড়াল, লোহার চাপ্পল, রড, চাকু ও লাঠিসোটা নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।
হামলায় মিজানুর রহমানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা তার দুই হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর আহত মিজানুর রহমানের পিতা রুস্তম আলী মোল্লা বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে নাটোর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে সুমন (৩৫) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করে। তিনি হয়বতপুর এলাকার বাসিন্দা।
নাটোর সদর থানার ওসি মুনছুর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসা

