স্টাফ রিপোর্টার

নাটোরের বড়াইগ্রামে বাবা ও ছেলের ধর্ষণের ফলে সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া এক কিশোরী ছয় মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কিশোরীর ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে বাবা ও ছেলেকে আটক কে সোমবার আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার পশ্চিম মালিপাড়া এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন মালিপাড়া এলাকার শামসুল হক (৬৪) ও তার ছেলে আরিফুল ইসলাম (৩২)।
জানা যায়, প্রতিবেশি ওই কিশোরির সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন শামসুল হকের ছেলে আরিফুল ইসলাম। গত সাত ধরে তাদের শারিরীক সম্পর্ক হয়। এরমধ্যে বাবা শামসুল হক বিষয়টি বুঝতে পেরে কোন শাসন না করে ওই কিশোরিকে প্রস্তাব দেয় তাকেও সুযোগ দিলে কোন ব্যবস্থা নিবে না। না হলে এটা নিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করবে। পরে কিশোরী তার সাথেও শারিরীক সম্পর্কে জড়ায়। গত বুধবার (২০ মে) কিশোরীর শারিরীক অসুস্থ্যতা দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায় । সেখানে পরীক্ষান্তে জানা যায় ওই কিশোরী ছয় মাসের অন্তঃসত্তা। বিষয়টি নিয়ে খুব গোপনে ওই দিন রাতেই সালিস বৈঠকে ছেলে আরিফুলের সাথে ১০ লাখ টাকা কাবিন এবং তিন শতক জমি লিখে দেওয়ার বিনিময় বিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে রোববার রাতে স্থাণীয়রা শামসুল হককে আটক করে থানায় সোপর্দ করে একই সাথে কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে বাবা ছেলের নামে মামলা দায়ের করেন। পরে রাতেই অভিযান চালিলে ছেলে আরিফুলকেও গ্রেফতার করে। সোমবার দুপুরে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়।
বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।**

