২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | রাত ১০:৪৯:০৭ মিনিট
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার। শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসকে দেওয়া এক হিসাব থেকে এ তথ্য জানিয়েছে পেন্টাগন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধের ব্যয় ছিল ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এর সঙ্গে অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ আরও ১৫০ কোটি ডলার যোগ হয়েছে। সব মিলিয়ে ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলারে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তবে পেন্টাগনের দেওয়া এই হিসাবকে যুদ্ধের মোট ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ চিত্র হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা মেরামতের খরচ এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পাশাপাশি সামরিক অভিযানের পরোক্ষ ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাবও কংগ্রেসকে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন একটি সূত্র।
পেন্টাগনের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় কংগ্রেসের বাজেট কার্যালয় (সিবিও) প্রকাশিত পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গেছে। গত ১ আগস্ট পর্যন্ত যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার হতে পারে বলে ধারণা করেছিল সিবিও। এর আগে জুলাই মাসে পেন্টাগন যুদ্ধের ব্যয় ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার বলে জানিয়েছিল।
সিবিও জানিয়েছিল, তাদের হিসাবের মধ্যে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন স্থাপনাগুলো মেরামতের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। মোট ব্যয়ের বড় একটি অংশই যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের কারণে হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজেট কার্যালয়।
সিবিওর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১ আগস্টের পরও যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে প্রতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে। তবে সংঘাতের তীব্রতা বাড়লে মাসিক ব্যয়ের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান যুদ্ধের প্রভাব পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতেও। সিবিও জানিয়েছে, ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে যুদ্ধের কারণে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। এমন সময় এই আশঙ্কার কথা জানানো হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগও ক্রমেই বাড়ছে।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *