স্টাফ রিপোর্টার

নাটোরের সিংড়ায় ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে ৬ বছরের এক কন্যা শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ১২ বছরের এক কিশোরের বিরুদ্ধে। মুমূর্ষু ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর পরই স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত কিশোরকে আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
সোমবার (১৮ মে) বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সিংড়া উপজেলার লালোর ইউনিয়নের আতাইকুলা গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে আতাইকুলা গ্রামের ভুক্তভোগী শিশুটি (৬) নিজ বাড়িতে একা ছিল। পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে পার্শ্ববর্তী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের এক কিশোর (১২) আকস্মিকভাবে ঘরে প্রবেশ করে। এরপর শিশুটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এ সময় শিশুটির কান্নাকাটি ও চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে। একই সময় ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত কিশোরকে হাতেনাতে আটক করে স্থানীয় জনতা।
গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করা হয়েছে, সে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। অভিযুক্ত কিশোর ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে। এই নির্মম ঘটনায় সিংড়া থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
