১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | রাত ৬:২৬:১১ মিনিট

নাটোরের বড়াইগ্রামে চাঁদাবাজি মামলায় নাটোর-৪ আসনের সাংসদ আব্দুল আজিজের সাবেক প্রতিনিধিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৩০শে আগষ্ট উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের চৌমুন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। শুক্রবার রাতে আনিছুর রহমান মামলার বাদী হয়ে ওই প্রতিনিধিকে প্রধান আসামী করে আরো ১০ থেকে ১২ জনের নামে মামলা করেন। আনিছুর রহমান পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী। পরে অভিযান চালিয়ে এই চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার আদালতে প্রেরন করেছে পুলিশ।ওই এমপি প্রতিনিধির নাম রুবেল হোসেন ওরফে ফ্রান্স রুবেল (৪০)। তিনি উপজেলার চরগোবিন্দপুর গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে ও জোনাইল ইউনিয়নের এমপির সাবেক প্রতিনিধি ছিলেন।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যাক্তিরা হলেন, রুবেল হোসেন ওরফে ফ্রান্স রুবেল, উপজেলার চরগোপবিন্দপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে হারুন অর রশিদ (৩২), চৌমুহন গ্রামের জিয়াউদ্দিন আহমেদের ছেলে সাগর আহম্মেদ ওরফে সোহান হোসেন (২৮) ও সোহাগ হোসেন(৩০)।
মামলা সুত্রে জানা যায়, গত ৩০শে আগষ্ট বিকাল সারে তিনটার দিকে আনিছুর রহমানকে মাছ বিক্রয়ের কথা বলে চৌমুহন গ্রামের চৌমুহন গ্রামে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্ব থেকেই অবস্থান করা অন্যান্য ব্যাক্তিদের সহায়তায় তাকে আটক করে রাখে। রুবেল ও অন্যান্য ব্যক্তিরা  মারধর করে ও জিম্মি করে প্রতি মাসে ৫০ হাজার ও তাৎক্ষনিক সাত লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। এরপর তারা আনিছুর  রহমানের নিকট থেকে নগদ তিন লক্ষ ষাট হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে আনিছুর রহমান বাদি হয়ে থানায় মামলা করেন।
আনিছুর রহমান বলেন, মাছ বিক্রয়ের কথা বলে আমাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মাসিক ৫০ হাজার টাকা চাদা দাবি করে। আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল আজিজের বক্তব্য নেওয়ার জন্য ০১৭১১-৩৬৯৮৭১নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিষিভ করেননি।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যাক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত সংক্রান্ত সত্যতা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় অন্যান্য আসামীদের দ্রুত করে আইনের আওতায় আনা হবে। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *