
নাটোরের নলডাঙ্গায় বিয়ের প্রলোভন ও ১০ ভরি স্বর্ণের লোভ দেখিয়ে এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মহিলার স্বামী মোঃ রবিউল ইসলাম রুবেল বাদী হয়ে নলডাঙ্গা থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন। অপরদিকে এই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ দাখিল করেছেন নলডাঙ্গা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও নলডাঙ্গা সরদার পাড়া গ্রামের মৃত আকবর সরদারের ছেলে অভিযুক্ত মোঃ বারব আলী বাচ্চু, । অপরদিকে রবিউল ইসলাম রুবেলের স্ত্রী রেখা খাতুন জানিয়েছেন ধর্ষণের কোন ঘটনা ঘটেনি। মূলত আমি নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে বাড়িতে টিকতে না পারে এক রাতের জন্য বাচ্চুর বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে ছিলাম। তখন তিনি বাড়িতে ছিলেন না।
রবিউল ইসলামের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মহিলার স্বামীর সাথে ঝগড়া হওয়ার পর অভিযুক্ত বাবর আলী বাচ্চু ১০ ভরিস্বর্ণ দিয়ে বিয়ে করার প্রলোভনে ধর্ষণ করে। গত ২ জুলাই মহিলার স্বামী অভিযুক্তের কাছে ধর্ষণের কারণ জানতে চাইলে এক হাতে রামদা আরেক হাতে ড্রেগার নিয়ে বলে তোর বউকে তালাক দে। যদি তালাক না দিস তাহলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।্এরপর সেদিনই সে নলযাঙ্গা থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দাখির করেন।
এছারা এক ভিডিও বার্তায় ভিকটিমের স্বামী বলেন,দীর্ঘদিন যাবত বাবর আলী বাচ্চু,রবিউল ইসলামকে মাদক ব্যবসার জন্য প্রলোভন ও চাপ দিতে থাকে। কিন্তু এতে রাজি হয়নি রবিউল ইসলাম।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা,বাবর আলী বাচ্চু বলেন,এটা ভিত্তিহীন,এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। আমার সামাজিক ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য কারো প্ররোচনায় রবিউল ইসলাম এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। আমি তার বিরুদ্ধে নলডাঙ্গা থানায় শনিবার (৪ জুলাই)মানহানি অভিযোগ দাখিল করেছি। অপরদিকে নজরুল ইসলামের স্ত্রী রেখা খাতন বলেছেন রবিউল আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিলে কোথায় যাওয়ার জায়গা না পেয়ে বাপ বয়সী বড়ভাই বাচ্চু বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলাম। তখন তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ভাবি আমাকে ওই রাতে আশ্রয় দিয়েছিলেন। রুবেলের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।
নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) মোঃ নূরে আলম বলেন,অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

