১০ ঘন্টা কচুরীপানার নিচে লুকিয়ে থেকে রেহাই পেল না দুই চোর#সংবাদ শৈলী১০ ঘন্টা কচুরীপানার নিচে লুকিয়ে থেকে রেহাই পেল না দুই চোর#সংবাদ শৈলী
স্টাফ রিপোর্টার

১০ ঘন্টা কচুরীপানার নিচে লুকিয়ে থেকে রেহাই পেল না দুই চোর#সংবাদ শৈলী
১০ ঘন্টা কচুরীপানার নিচে লুকিয়ে থেকে রেহাই পেল না দুই চোর#সংবাদ শৈলী
এক গরু চোরের দেয়া তথ্যে অপর চোরদের গ্রেপ্তারে চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। সময়মতো মিনিট্রাকে পৌছে কয়েকজন গরু চোর। হঠাৎ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালাতে গিয়ে ২ চোর ঝাঁপ দেয় জলাশয়ের কচুরিপানায়। কিন্তু ততক্ষণে এলাকাবাসী টের পেয়ে ওই চোরদের ধরতে শত শত মানুষ জলাশয়টি ঘিরে ফেলেন। অবশেষে দীর্ঘ ১০ ঘন্টা পর ওই ২ চোরকে আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী। তবে চোরকে কোন মারপিট না করে সুস্থ্য করতেই ব্যস্ত হন এলাকাবাসী।
বুধবার দুপুর ২টার দিকে সিংড়া থানার চৌগ্রাম এলাকায় ওই ২ চোরকে আটকের পর তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়।
আটক ওই ২ চোর হলো  ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার বেতাকুড়-আতারামপুর এলাকার কুদরত আলীর ছেলে
হাবিবুর রহমান (৪২) এবং জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার মইপুর গোপালপুর এলাকার মোস্তাকের ছেলে ফেরদৌস (২৬)।
সিংড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নওগাঁ জেলার রানীনগর থানার ওসি জাকারিয়া মন্ডল জানান, গত ১০ জুলাই ওই থানা এলাকায় গরু চুরির মামলা হয়। ওই মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামী হিসাবে নওগাঁর আত্রাই থানার কাশিয়াড়ী এলাকার আজমত দেওয়ানের ছেলে আসলাম দেওয়ান (৪৩)কে আটক করে র‍্যাব।
এরপর তার দেয়া তথ্যে বুধবার ভোর ৫ টার দিকে সিংড়া চৌগ্রাম এলাকায় নাটোর-বগুড়া মহাসড়কে চেকপোস্ট বসায় রানীনগর থানার পুলিশ।
ওই সময় আসলাম দেওয়ান এর গ্রুপের আন্তজেলা গরুচোর চক্রের  ৫/৬ জন সদস্য একটি মিনি ট্রাকে পৌঁছে। কিছুক্ষণ পরই তারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে  চৌগ্রাম-কালিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। ওই সময়  চোর চক্রের ওই দুজন রাস্তার পাশের কচুরিপানাপূর্ণ খালের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে লুকিয়ে যায়।
স্থানীয় যুবক রাকিব বলেন, ওরা কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু এলাকাবাসী খাল ঘিরে রাখায় শেষ পর্যন্ত বের হয়ে আসতে বাধ্য হয়।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি বলেন, আটক দুইজনকে প্রশাসনের হেফাজতে নেওয়া হয় এবং পরে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
সিংড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা জানান, ওই ২ চোরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আটক চোরদের বিরুদ্ধে সিংড়া থানায় মামলা হবে। আবার রানীনগর থানা পুলিশও তাদের শোন এ্যারেস্ট দেখাবেন। বৃহস্পতিবার ওই চোরদের আদালতে চালান দেয়া হবে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *