বাগেরহাটের মোল্লাহাটে মাছের ঘেরের পাড় থেকে মুসলিমা (৭) নামে এক শিশুর পলিথিনে মোড়ানো গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্বজনরা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকা থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরে হত্যাকারী সন্দেহে কয়েকটি বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে নিহতের স্বজনরা।
নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত মুসলিমা ওই এলাকার ইসলাম শেখের মেয়ে।
এদিকে, এ ঘটনায় নিহতের বাবা ইসলাম শেখ বাদী হয়ে মোল্লাহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় এজাহারনামীয় ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর (৫৫) ও তার দুই ছেলে রমজান (১৯) এবং আব্দুর রহমান (২৭)। তারা সবাই হত্যার শিকার মুসলিমার প্রতিবেশী।
জানা যায়, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে বাড়ির আশপাশে খেলাধুলা করছিল মুসলিমা। একপর্যায়ে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা একটি মাছের ঘেরের পাড়ে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কাছে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, হত্যার শিকার শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওই শিশুর বাবার করা মামলায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তবে হত্যার রহস্য ও কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।