রামিসা হত্যা , মামলা গেল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে#সংবাদ শৈলী
রামিসা হত্যা , মামলা গেল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে#সংবাদ শৈলী

সংবাদ শৈলী রিপোর্ট
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তা গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
রোববার (২৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ। এতে প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। আদালত এটি গ্রহণের পাশাপাশি মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন। এখন মামলার পরবর্তী বিচার কার্যক্রম ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে অনুষ্ঠিত হবে।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।’
এ নিয়ে কথা হলে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (স্পেশাল পিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘দুই আসামিকে অভিযুক্ত করে পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছে। আদালত তা গ্রহণ করেছেন। এতে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যা এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।’
এর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিট থেকে ১১টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় আনা হয় বলে জানান হাজতখানার ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিপন মোল্লা।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরদিন তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা প্রতিবেশী সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও একজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *