
নাটোরের বড়াইগ্রামে পৌরসভা ও সদর ইউনিয়নের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ’ কার্যালয় ভাংচুর করে মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার (৭ই অক্টোবর) রাতে উপজেলার পৌর এলাকার মৌখাড়া বাজারে এই ঘটনা ঘটে। শুক্রবার অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তিকে অভিযুক্ত করে বড়াইগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন কার্যালয়টির কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মওলা (৭৫)। বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মওলা উপজেলার মৌখাড়া এলাকার বাসিন্দা ও বড়াইগ্রাম পৌরসভা ও বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মওলা বলেন, ২০০৪ সালের জেলা প্রসাশকের কার্যালয় থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে বড়াইগ্রাম পৌরসভা ও বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছিল। যা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বড়াইগ্রাম পৌর ও ইউনিয়ন কার্যালয়। আমি সেই থেকে কমান্ডার হিসেবে দায়ীত্ব পালন করে আসিতেছি। গত বৃহস্পতিবার রাতে অজ্ঞরাতনামা কিছু ব্যাক্তি উপজেলার মৌখাড়া বাজারস্থ অফিস কক্ষের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তারা অফিসে ভিতর থেকে তিনটি কাঠের জানালাসহ লোহার গ্রীল, ১৪টি প্যাস্টিকের চেয়ার, টেবিল, লোহার গদিযুক্ত চেয়ার, আলমারি ও মুক্তিযোদ্ধাদা সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যায়।
তিনি অরো বলেন, জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার তৈরী করা দল ক্ষতায় থাকাবস্থায় এই ধরনের কর্মকান্ড মেনে নেওয়া যায় না। আমি এই ঘটনার জড়িত ব্যাক্তিদের খুজে বের করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দাবী জানাচ্ছি।
পাশের চায়ের দোকানদান নিজাম উদ্দিন বলেন, এই অফিসের সামনে অনেক বছর যাবত চায়ের দোকানদারী করি। মুক্তিযোদ্ধারা এই ব্যবহার করে থাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাই। শুক্রবার সকালে এসে দেখি অফিস ভাঙ্গা এবং মালামাল নিয়ে গেছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান বলেন, অনেক বছর যাবত মুক্তিযোদ্ধারা এই অফিসে উঠা বসা করে। স্বাধীন দেশে এই ধরনের কর্মকান্ডের বিচার দাবী করছি। এই পরিস্থিতি দেখার জন্য কি আমরা দেশ স্বাধীন করে ছিলাম।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডা (পদধিকার বলে) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি।
বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহাবুবুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।**
বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মওলা বলেন, ২০০৪ সালের জেলা প্রসাশকের কার্যালয় থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে বড়াইগ্রাম পৌরসভা ও বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছিল। যা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বড়াইগ্রাম পৌর ও ইউনিয়ন কার্যালয়। আমি সেই থেকে কমান্ডার হিসেবে দায়ীত্ব পালন করে আসিতেছি। গত বৃহস্পতিবার রাতে অজ্ঞরাতনামা কিছু ব্যাক্তি উপজেলার মৌখাড়া বাজারস্থ অফিস কক্ষের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তারা অফিসে ভিতর থেকে তিনটি কাঠের জানালাসহ লোহার গ্রীল, ১৪টি প্যাস্টিকের চেয়ার, টেবিল, লোহার গদিযুক্ত চেয়ার, আলমারি ও মুক্তিযোদ্ধাদা সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যায়।
তিনি অরো বলেন, জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার তৈরী করা দল ক্ষতায় থাকাবস্থায় এই ধরনের কর্মকান্ড মেনে নেওয়া যায় না। আমি এই ঘটনার জড়িত ব্যাক্তিদের খুজে বের করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দাবী জানাচ্ছি।
পাশের চায়ের দোকানদান নিজাম উদ্দিন বলেন, এই অফিসের সামনে অনেক বছর যাবত চায়ের দোকানদারী করি। মুক্তিযোদ্ধারা এই ব্যবহার করে থাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাই। শুক্রবার সকালে এসে দেখি অফিস ভাঙ্গা এবং মালামাল নিয়ে গেছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান বলেন, অনেক বছর যাবত মুক্তিযোদ্ধারা এই অফিসে উঠা বসা করে। স্বাধীন দেশে এই ধরনের কর্মকান্ডের বিচার দাবী করছি। এই পরিস্থিতি দেখার জন্য কি আমরা দেশ স্বাধীন করে ছিলাম।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডা (পদধিকার বলে) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি।
বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহাবুবুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।**
