স্টাফ রিপোর্টার

নাটোর সদর উপজেলার পার আটঘুড়িয়া গ্রামে রাতের আঁধারে ১৫ কাঠা জমির সম্পূর্ণ ধুন্দুল ক্ষেত কেটে তছনছ করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। কয়েকদিন পরই ফলন তুলে বাজারে বিক্রির কথা ছিল। এর আগেই পুরো ক্ষেত কেটে ফেলায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক সুফিয়া বেগম ও তার পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত জিন্নাত আলির স্ত্রী সুফিয়া বেগম প্রায় তিন মাসের পরিশ্রমে ১৫ কাঠা জমিতে ধুন্দুল চাষ করেছিলেন। ক্ষেতজুড়ে তখন থোকায় থোকায় ধুন্দুল ধরেছিল। ফলন বিক্রির প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু শনিবার রাতে কে বা কারা রাতের আঁধারে পুরো ক্ষেতের ধুন্দুল গাছ কেটে দেয়।
রোববার সকালে জমিতে গিয়ে পুরো ক্ষেত কাটা অবস্থায় দেখতে পান কৃষক সুফিয়া বেগম। এতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুফিয়া বেগম বলেন, “গত শনিবার রাতেও জমি দেখে গেছি। গাছে ফল ভরে ছিল। রোববার সকালে এসে দেখি পুরো ক্ষেত কেটে ফেলে রাখা। একটা গাছও আস্ত নেই। সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের বেতনসহ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ করেছি। এখন পুঁজিও নেই, সংসার চালাব কীভাবে?”
তিনি আরও বলেন, “কার সঙ্গে শত্রুতা করেছি, বুঝতে পারছি না। জমিতে সেচ দিয়েছি, মাচা বানিয়েছি, নিজের হাতে পরিচর্যা করেছি। রাতের বেলা কারা এই সর্বনাশ করল?” এই নিউজটিকে একটু শর্ট করে দাও
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের দাবি, ক্ষেত কেটে দেওয়ায় তার প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কৃষক সুফিয়া বেগম ঘটনার বিষয়ে নাটোর সদর থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন।
তবে কারা এবং কী কারণে এই ধুন্দুল ক্ষেত কেটে দিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয়রা।
নাটোরে ১৫ কাঠা জমির ধুন্দুল ক্ষেত কেটে তছনছ, কৃষকের মাথায় হাত#সংবাদ শৈলী 