১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | দুপুর ১:৪৯:২৬ মিনিট

ফরাসি লিগে একেবারে যাচ্ছেতাই অবস্থা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি)। ৩ ম্যাচে ২ ড্র ও এক হারের পর লুইস এনরিকের দল পয়েন্ট টেবিলের ১৩ নম্বরে রয়েছে। সেই দলটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এসে জ্বলে উঠেছে। টানা দু’বারের চ্যাম্পিয়নরা অবশ্য ভাগে পেয়েছিল মাত্র দ্বিতীয়বার টুর্নামেন্ট খেলতে নামা স্লোভান ব্রাতিস্লাভাকে। পিএসজি তাদের ৬-১ গোলে বিধ্বস্ত করল।

পিএসজির হয়ে এর আগে মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই গোল করেছিলেন বার্সেলোনা থেকে যোগ দেওয়া ফেররান তোরেস। বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনকে একমাত্র গোলে জেতানো এই ফরোয়ার্ড চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম হ্যাটট্রিকটা পেয়ে গেছেন। এ ছাড়া উসমান দেম্বেলের জোড়া এবং ফ্যাবিয়ান রুইজ আরেকটি গোল করলে প্যারিসিয়ানরা বড় জয় পায়।

ঘরের মাঠ পার্ক দ্য প্রিন্সেসে একেবারে দাপুটে এক ম্যাচ খেলল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা গত দু’বারের চ্যাম্পিয়নরা। ৭২ শতাংশ পজেশনের পাশাপাশি ১৪টি শট তারা লক্ষ্যে রেখেছিল। পিএসজি প্রথম মিনিট থেকেই ব্রাতিস্লাভাকে চেপে ধরে দ্বিতীয় মিনিটে প্রথম সুযোগ তৈরি করে। তবে দ্রু ফার্নান্দেজের শট সফরকারী গোলরক্ষক কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান। এভাবে আক্রমণের ধারা বইয়ে ১৬ মিনিটে ফরাসিরা লিড পায়। নুনো মেন্দেসের গতিময় শট ক্রসবার থেকে ফেরার পর ফিরতি বলে দেম্বেলে বাঁ পায়ে জোরালো শটে সফল হয়েছেন।

২৩তম মিনিটে এই ফরাসি তারকাই ব‍্যবধান দ্বিগুণ করেন। এবার ম্যাঘনেস অ্যাকলিউচের ক্রস ব্রাতিস্লাভার একজন ডিফেন্ডারের পায়ে লাগলে বল পেয়ে যান দেম্বেলে। তিনি খুব কাছ থেকে হেডে বাকি কাজ সারেন। পাঁচ মিনিট বাদেই তোরেস প্রথম সুযোগ পেলেও বাঁকানো শটটি লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। তবে ৩১ মিনিটে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে তিনি দেম্বেলের ক্রস পেয়ে পিএসজির জার্সিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিষেকে প্রথম গোলটি করেন। ফরাসিরা লিড পায় ৩-০।

বিরতির পর দ্বিতীয় মিনিটেই অ্যাকলিউচ দারুন গতি ও প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে কাটব্যাক করেন। তোরেস একটু জায়গা নিয়ে গতিময় শটে জালে জড়ান বল। ৫৫ মিনিটে মেন্দেসের গোল বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। তবে মিনিট দুয়েক পরই হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে ফেলেন তোরেস। দেম্বেলের কর্নারে পা অনেক উপরে তুলে হাঁটু দিয়ে শট নেন তিনি। গোলরক্ষক আগেই ভিন্ন দিকে সরে যাওয়ায় তিনি আর সেই শট পর্যন্ত যাওয়ার উপায় ছিল না।

ধারার বিপরীতে ব্রাতিস্লাভার ব্যবধান কমান সুলেমান কামারা। তার চমৎকার গোলটি ছাড়া ম্যাচে স্লোভাকিয়ার ক্লাবটির আর কোনো প্রাপ্তি ছিল না। ৬৪ মিনিটে এনরিকে একসঙ্গে তিন পরিবর্তন আনলে পিএসজির খেলার গতি কমে। তবে ৮৮ মিনিটে দলের ষষ্ঠ গোল করেন রুইজ। ব্রাতিস্লাভার একজনের পা থেকে আসা বল তিনি জালে জড়িয়ে দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *