২৩ অক্টোবর ২০২৬ | রাত ২:০০:১৩ মিনিট

মাগুরায় পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাকের হোসেন (৩৯) হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রনি শিকদারসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার অপরজন হলেন শামীমা তাবাসসুম।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মাগুরা শহরের তাঁতিপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রনি শিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর প্রায় আধা ঘণ্টা পর সদর উপজেলার বুজরুক শ্রীকৃতী এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে শামীমা তাবাসসুমকে আটক করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে শাকের হোসেন হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান গ্রেপ্তারের বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে। খুব শিগগির প্রকৃত আসামিদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

আদালতে পুলিশের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে গ্রেপ্তার দুজনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে পাওয়া তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তাদের ভূমিকা নিয়ে আরও তদন্ত করা প্রয়োজন। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন, অন্য জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র ও যানবাহন উদ্ধারে তদন্ত চলছে।

মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, দুজনকে হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। রাজনৈতিক টার্গেট কিলিং, পরকীয়া, সোনা চোরাচালান ও জমি দখলসহ বিভিন্ন সম্ভাব্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি।

উল্লেখ্য, বুধবার ভোরে মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাকের হোসেনকে মাথায় গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ময়নাতদন্তের সময় তার মাথা থেকে একটি গুলি উদ্ধার করা হয়।

 



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *