০৩ অক্টোবর ২০২৬ | রাত ৯:৫৮:৩৯ মিনিট
জমি বিরোধের জেরে ৩ বিঘা ধান নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতি ২ লাখ টাকা#সংবাদ শৈলীজমি বিরোধের জেরে ৩ বিঘা ধান নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতি ২ লাখ টাকা#সংবাদ শৈলী
জমি বিরোধের জেরে ৩ বিঘা ধান নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতি ২ লাখ টাকা

জমি বিরোধের জেরে ৩ বিঘা ধান নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতি ২ লাখ টাকা#সংবাদ শৈলী
জমি বিরোধের জেরে ৩ বিঘা ধান নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতি ২ লাখ টাকা#সংবাদ শৈলী
স্টাফ রিপোর্টার
নাটোরের লালপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় তিন বিঘা জমির ইরি-বোরো ধান আগাছানাশক বিষ প্রয়োগ করে নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এতে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বিলমারিয়া ইউনিয়নের বড়বাদকয়া মৌজায় ক্ষতিগ্রস্ত ধানের জমি পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, সবুজ ধানগাছগুলো হলদে হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও গাছ মরে গিয়ে পুরো জমি বিবর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, আগাছানাশক বিষ প্রয়োগের কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রহিমপুর গ্রামের কৃষক দাউদ ও মোজাম্মেল দীর্ঘদিন ধরে বড়বাদকয়া মৌজার ওই জমিতে ইরি-বোরো ধানের আবাদ করে আসছেন। তবে জমির মালিকানা নিয়ে একই এলাকার সালাম ও তার লোকজনের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আগেও একাধিকবার উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী মোজাম্মেলের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সালাম, সেকেন্দারসহ তাদের সহযোগীরা জমির ধানে আগাছানাশক বিষ স্প্রে করে। এতে প্রায় তিন বিঘা জমির ধান সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। ফসলই তাদের পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস হওয়ায় এ ঘটনায় তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
মোজাম্মেল বলেন, ‘এই ফসলের ওপর নির্ভর করেই আমাদের সংসার চলে। হঠাৎ করে ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমরা দিশেহারা। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
এ ঘটনায় কৃষিমন্ত্রী, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। পাশাপাশি লালপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সেকেন্দার বলেন, জমিটি তাদের পারিবারিক সম্পত্তি এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে চাষাবাদ করে আসছেন। মোজাম্মেল প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় তাদের জমি থেকে উচ্ছেদ করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *