
ইউক্রেনের একটি ড্রোন হামলায় রাশিয়ার পশ্চিম সাইবেরিয়ার টিউমেন অঞ্চলের একটি তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) স্থানীয় রুশ কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। খবরটি নিশ্চিত করেছে রয়টার্স।
টিউমেন অঞ্চলের গভর্নর আলেক্সান্দর মুর জানিয়েছেন, একটি ড্রোন শোধনাগার চত্বরে বিধ্বস্ত হওয়ার পর সেখানে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। জরুরি পরিষেবার কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ব্যক্তিগতভাবে পরিস্থিতি তিনি পর্যবেক্ষণ করছেন।
রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন হামলা জোরদারের মধ্যেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। টিউমেনের এই স্থাপনা ইউক্রেন থেকে ২ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত। হামলার ফলে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় কিয়েভের হামলার প্রভাব আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো রাশিয়ার ৩৪টি তেল শোধনাগারের মধ্যে ২৪টিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। অক্সফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি স্টাডিজের এক প্রতিবেদনের হিসাব অনুসারে, জুনের মাঝামাঝি সময়ে রাশিয়ার মোট শোধনাগার সক্ষমতার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বন্ধ ছিল।
শোধনাগারগুলোতে একের পর এক হামলার কারণে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারে সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মস্কো বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করে জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও স্বীকার করেছেন, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা হওয়ার কারণে দেশে জ্বালানি ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তবে তিনি দাবি করেছেন, পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
