
স্টাফ রিপোর্টার:
জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় বিয়ের কাবিননামা ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়। কাবিননামা অনুযায়ী, বরের নাম জি এম নজরুল ইসলাম (পিতা: মৃত জনাব আলী গাজী, মাতা: কাঞ্চন বিবি; সাং- ইসমাইলপুর, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা)। কনের নাম মরিয়ম খাতুন (পিতা: মো. মাসুম বিল্লাহ, মাতা: কাকুলী; সাং- দেবীপুর, গাবুরা, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা)। কাবিননামা অনুযায়ী কনের জন্মতারিখ ২৭/০৫/১৯৯৮ ইং এবং বিয়ের তারিখ ১৭/০৬/২০২৪ ইং। কাবিননামায় দেনমোহর ধার্য করা হয়েছে তিন লাখ টাকা।
ভিডিও ও কাবিননামা নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ভিডিওতে দৃশ্যমান নারীটি তার আইনসম্মত দ্বিতীয় স্ত্রী (মরিয়ম খাতুন)।
তিনি জানান, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং ধর্মীয় ও আইনি রীতি মেনেই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বয়স ও পারিবারিক ব্যবধানের কারণে বিষয়টি প্রাথমিকভাবে গোপন রাখা হয়েছিল।
তিনি আরও দাবি করেন, তার শ্বশুর মাসুম বিল্লাহর পারিবারিক বিরোধ ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের চক্রান্তের অংশ হিসেবে পরিকল্পিতভাবে তাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার সম্মানহানির চেষ্টা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি এ ঘটনার পেছনে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ব্যক্ত করেন।
এদিকে জেলা জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানানো হয়েছে, কাবিননামার সত্যতা ও পারিবারিকভাবে বিয়ের বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। এছাড়া পুরো ঘটনাটির পেছনে কোনও রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত চক্রান্ত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমার বাড়ির পাশেই এমপি সাহেবের বাড়ি। কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ের কথা আগে কখনও শুনিনি। আজকেই প্রথম শুনলাম।’’
আরেক প্রতিবেশী আব্দুল আলিম বলেন, ‘‘ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারলাম এমপি সাহেবের দ্বিতীয় স্ত্রী আছে। এর আগে জানতাম উনার একটিই বিয়ে।’’
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম। তাকে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
সোমবার (২২ জুলাই) রাতে ভিডিওটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এ নিয়ে চলছে নানা ধরনের আলোচনা। ইতোমধ্যে বিষয়টি হয়ে পড়েছে টক অব দ্য কান্ট্রি।
