
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র দাবি করেছে। সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি আজ অথবা আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বঙ্গভবন ত্যাগ করতে পারেন। পদত্যাগের পর রাজধানীর গুলশানে তাঁর নিজ বাসভবনে ওঠার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, এ-সংক্রান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বর্তমানে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে থাকায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া বিলম্বিত হতে পারে।
বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তা, যারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেছেন, দাবি করেন যে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত তাতে স্বাক্ষর করা হয়নি বলেও তাঁদের দাবি।
আরেক কর্মকর্তা দাবি করেন, রাষ্ট্রপতি সম্প্রতি অধস্তন কর্মকর্তাদের চলতি মাসের মধ্যেই বঙ্গভবন ছাড়ার জন্য মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি গুলশানের বাসভবনে অবস্থান করবেন এবং পরে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন বলেও ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন।
এদিকে, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাব্য কারণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে কোনো সরকারি বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখিত লন্ডনে কথিত ফোনালাপ বা অন্যান্য কারণ সম্পর্কিত তথ্যও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন।
