
টেকনাফের সাবেক পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার আসামি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বলছে, আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন একরামুল। এক সময় তিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।
চাঞ্চল্যকর ওই হত্যাকাণ্ডের সময় র্যাব-৭ এর অধিনায়ক ছিলেন মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ। কক্সবাজার তখন র্যাব–৭ এর আওতায় ছিল।
ওই ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনকে সেখানে আসামি করা হয়।
ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে এবং গ্রেপ্তার থাকা তিনজনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়।
এরপর সোমবার ওই মামলার আসামি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়ার খবর আসে।
শেখ হাসিনা ও মিফতাহ উদ্দিন ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদি, সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর রুহুল আমিন, সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস সাকিব ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান।
