শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
সংবিধানের সংশ্লিষ্ট বিধান ও আইন অনুযায়ী, পদ থেকে সরে দাঁড়ালেও দেশের ২২তম এই রাষ্ট্রপ্রধান সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে আজীবন বেশ কিছু সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা ভোগ করবেন।

‘রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন’ অনুযায়ী, কমপক্ষে ছয় মাস রাষ্ট্রপতির পদে দায়িত্ব পালন করলে পদত্যাগের পর তিনি সর্বশেষ আহরিত মূল বে权的 ৭৫ শতাংশ হারে আমৃত্যু মাসিক পেনশন পাবেন। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির মূল বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা হওয়ায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি প্রতি মাসে ৯০ হাজার টাকা পেনশন সুবিধা পাবেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর দাপ্তরিক কাজকর্ম পরিচালনার জন্য আইন অনুযায়ী তিনি একজন ব্যক্তিগত সহকারী (PA) এবং একজন অ্যাটেনডেন্ট (সহায়তা প্রদানকারী) পাবেন। এছাড়া তাঁর কার্যালয়ের দাপ্তরিক খরচ বাবদ সরকার নির্ধারিত বার্ষিক বরাদ্দও তাঁকে দেওয়া হবে।

রাষ্ট্রীয় ও সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদানের ক্ষেত্রে তিনি বিনামূল্যে সরকারি যানবাহন ব্যবহারের সুবিধা পাবেন।
তাঁর বাসভবনে একটি সরকারি টেলিফোন সংযোগ থাকবে, যার বিল সরকার নির্ধারিত সীমার মধ্যে মওকুফ করা হবে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও তাঁর স্ত্রী একজন পূর্ণ মন্ত্রীর সমপরিমাণ চিকিৎসাসুবিধা পাবেন। এর আওতায় দেশে ও বিদেশে প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি খরচে চিকিৎসার সুবিধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ সফরকালে তিনি সরকারি সার্কিট হাউস বা রেস্ট হাউসে বিনা ভাড়ায় অবস্থানের সুযোগ পাবেন।

প্রচলিত আইন অনুযায়ী, ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তি যদি পুনরায় রাষ্ট্রীয় কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত হন কিংবা আদালত কর্তৃক নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন, তবে এসব সরকারি সুযোগ-সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *