{"নাটোরে কলেজ শিক্ষার্থীকে হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন#সংবাদ শৈলী
নাটোরে কলেজ শিক্ষার্থীকে হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন
স্টাফ রিপোর্টার
{“নাটোরে কলেজ শিক্ষার্থীকে হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন#সংবাদ শৈলী
নাটোরের সিংড়ায় আব্দুল কাহার ওরফে আতিক নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে নাটোরের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. দেলোয়ার হোসেন আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। হত্যার স্বীকার আব্দুল কাহার ওরফে আতিক সিংড়ার বড়গ্রাম দক্ষিনপাড়া মহল্লার আব্দুর রশীদের ছেলে ও সিংড়ার দমদমা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০১৪ সালে এইচএসসি কৃতকার্য শিক্ষার্থী ছিল। দণ্ডপ্রাপ্তরা সিংড়ার বড়গ্রাম দক্ষিণপাড়া মহল্লার মৃত আব্দুল মজিদ মণ্ডলের ছেলে মাসুদ রানা ও একই এলাকার মৃত ফজলার রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান মিন্টু।
নাটোর জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রুহুল আমীন তালুকদার টগর জানান, ২০১৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় আব্দুল কাহার ওরফে আতিককে তার পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তি বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় আব্দুল কাহার বাড়িতে ফিরে না আসলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোথাও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন সকালে বাড়ির অদূরে একটি পুকুরপাড়ে আব্দুল কাহারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশীদ বাদি হয়ে ৪ জনের নামসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে অভিযুক্ত করে সিংড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তাদের তদন্ত প্রাপ্ত মিজানুর রহমান মিন্টু ও মাসুদ রানাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা আব্দুল কাহারকে হত্যার কথা স্বীকার করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ মামলার স্বাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেন। মামলায় রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেন।