ইরানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়তে আগ্রহ প্রকাশ করেছে লেবানন। তবে দেশটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দুই দেশের সম্পর্ক ও যোগাযোগ অবশ্যই সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হতে হবে।
রোববার (৩০ আগস্ট) লেবাননের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা জানায়।
এর আগে শুক্রবার আরাগচি বলেছিলেন, ইরান লেবাননের সরকারসহ দেশটির সব রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়। মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করাই ইরানের নীতিনি। এ ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশগুলো ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব পায়।
তবে লেবাননের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তারা সবসময় খোলামেলা ও গঠনমূলক অবস্থান নিয়েছে। ইরানের সঙ্গেও তারা ভালো সম্পর্ক চায়। কিন্তু দুই দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি পারস্পরিক সম্মান থাকতে হবে।
মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, লেবাননের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাশ কাটিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে যোগাযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। যেমন কোনো লেবানিজ রাষ্ট্রদূত যদি সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন, ইরানও তা মেনে নেবে না।
লেবাননের এই বক্তব্য মূলত ইরানের সঙ্গে হিজবুল্লাহর সম্পর্কের দিকে ইঙ্গিত করে দেওয়া হয়েছে। লেবানন চাইছে, ইরান যেন দেশটির সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমেই সম্পর্ক পরিচালনা করে এবং কোনো রাজনৈতিক বা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে রাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি যোগাযোগ না করে।
এদিকে আরাঘচি লেবাননের কিছু নীতির সমালোচনাও করেছেন। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, লেবাননের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে আরও ‘বাস্তবসম্মত’ অবস্থান নেবে।
সূত্র: শাফাক নিউজ


