স্টাফ রিপোর্টার
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি অবস্থায় হামলা চালিয়ে পিতাকে পিটিয়ে জখম করেছে ছেলে ও তার সহযোগিরা। শুধু তাই নয়- অসুস্থ পিতা সজরুল মৃধাকে (৪৫) হাসপাতালের মধ্যেই সবার সামনে রশি দিয়ে বেঁধে ফিল্মি কায়দায় তুলেও নিয়ে গেছেন ছেলে শাফিন (১৭)।
জানা যায়, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সজরুল পৌর সদরের খলিফাপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। সোমবার (৪ আগস্ট) সকালে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। ভর্তির দুইঘন্টা পর হাসপাতালের মধ্যেই হামলার শিকার হন এবং তাকে রশি দিয়ে বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। হামলা ও মারপিটের ধারণকৃত ভিডিও চিত্র স্থানীয় সাংবাদিকদের সংরক্ষণে রয়েছে।
ভিডিওতে শাফিনকে বলতে শোনা যায়, ঘটনার আগের দিন তার বাবা তাকে গলায় শিকল দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল।
এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীর ওপর হামলা ও তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। ফলে ভর্তি রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা গুরুদাসপুর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট রাশিদুল ইসলাম।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমাস বলেন, এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে গুরুদাপুর থানার ওসি আসমাউল হক বলেন, তিনি কোন অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।