মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আরও তীব্র হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এর প্রভাবে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই প্রভাব পড়েছে মূল্যবান ধাতুর বাজারে। ফলে বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে স্বর্ণের দাম।
বাজারসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার স্পট গোল্ডের দাম ১.৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩,৯৮৩ ডলারে নেমে এসেছে। এর ফলে দীর্ঘদিন পর স্বর্ণের দাম মনস্তাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ৪,০০০ ডলার প্রতি আউন্সের নিচে চলে যায়। একই সময়ে রুপার দামেও তুলনামূলকভাবে বেশি পতন দেখা গেছে।
আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বেড়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সময় উচ্চ সুদের হার বজায় রাখতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা বেড়েছে এবং মূল্যবান ধাতুর বাজারে বিক্রির চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলেই আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা দিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি, তেলের দামের গতিপ্রকৃতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ওপর আগামী দিনগুলোতে স্বর্ণবাজারের দামের ওঠানামা অনেকটাই নির্ভর করবে।

