নাটের সদর হাসপাতালে  অসুস্থকন্যা শিশুর মাকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ,হাসপাতালে তিন সুইপার গ্রেফতার#সংবাদ শৈলী{"নাটের সদর হাসপাতালে  অসুস্থকন্যা শিশুর মাকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ,হাসপাতালে তিন সুইপার গ্রেফতার#সংবাদ শৈলী
নাটের সদর হাসপাতালে  অসুস্থকন্যা শিশুর মাকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ,হাসপাতালে তিন সুইপার গ্রেফতার#সংবাদ শৈলী
{“নাটের সদর হাসপাতালে  অসুস্থকন্যা শিশুর মাকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ,হাসপাতালে তিন সুইপার গ্রেফতার#সংবাদ শৈলী

স্টাফ রিপোর্টার

নাটোর ২৫০ শয্যার হাসপাতালে এবার কন্যা শিশুর চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতালের সুইপারদের হাতে ধর্ষিত হলেন শিশুর মা। এ ঘটনায় ওই মহিলার বাবা বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এরপরেই পুলিশ তিনজনকে হাসপাতাল চত্বর থেকে  গ্রেফতার করে।

ভোক্তভোগী নারী জানান, কন্যার অসুস্থতা নিয়ে ৪ দিন আগে নাটোর ২৫০ শয্যার আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করান । গত ৭ জুন রাত ১০ টার দিকে ওষুধ দেয়ার কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে যায় হাসপাতালেরেআউটসোসিং সুইপার অমিত। এরপর তাকে জোর করে হাসপাতালের ৬ তলার সিড়িঘরে নিয়ে ধর্ষন করে। সেই ভিডিও মোবাইলে ধারন করে অমিতের দুই সহযোগী ও হাসপাতালের আউট সোর্সিং সুইপার অনিল এবং প্রাঙ্গন। এরপর সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্লাক মেইল করে ভুক্তভোগীকে রেপ করতে চায় তারা। এদিকে রাত ২ টার দিকে শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্স ও ওয়ার্ডবয়রা শিশুকে ৪ ঘন্টা একা দেখে তার মাকে খোজাখুজি শুরু করে এবং দায়িত্বরত আনসার সদস্যের সাহায্য চায়। এরপর সবাই মিলে খোজাখুজির এক পর্যাজয়ে সিসি ক্যামেরা দেখে ৬ তলায় গিয়ে হাতেনাতে ধরেন তাদেরকে। এরপর তাদেরকে উদ্ধার করে আনসার সদস্যরা হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে নিয়ে এসে ঘটনার জবানবন্দী মোবাইলে রেকর্ড করেন।

মো. সালাউদ্দিন, দায়িত্বরত আনসার সদস্য বলেন, নার্স এবং ওয়ার্ড বয়দের কাছে শুনে শিশু রোগীর মা’কে খুজতে থাকেন পরে ৬ তলার সিড়িতে গিয়ে তাদেরকে হানেনাতে ধরে। এরপর হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে আসামি এবং ভুক্তভোগীকে হস্তান্তর করে।এরপরে আসামীরা কিভাবে চলে গেল তা তারা জানে না। এবিষয়ে হাসপাতাল কতৃপক্ষের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেয় তারা।

নাটোর ২৫০ শয্যার আধুনিক সদর হাসপাতালের আনসার প্লাটুন কমান্ডার মো. মোন্নাফ হোসেন, আনসার সদস্যরা ভুক্তভোগী নারী ধর্ষনের অভিযোগ এবং আসামীদের স্বীকারোক্তি মোবাইল ফোনে রেকর্ড করে রেখেছেন। তাদের কাছে প্রমাণ আছে। আসামীদের কাছেও ওই নারীকে ধর্ষনের ভিডিও রয়েছে।

নাটোর ২৫০ শয্যার আধুনিক সদর হাসপাতালের ডা. মো. আরশেদ আলী ভারপ্রাপ্ত তত্বাবধায়ক বলেন, যারা ধর্ষণ এবং ভিডিও ধারনের সাথে জড়িত তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এঘটনায় আতংকিত নাটোর সদর হাসপাতালের অন্যান্য রোগী আর তাদের স্বজনরা।

বলছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে অনেক সময় তাদেরকে রাত্রি যাপন করতে হয়। এখন যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে তাহলে কিভাবে মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসবে।

সাজিদ আলী নামে একজন সাংস্কৃতিক কর্ বলেন, হাসপাতালের স্টাফরাই যদি এমন ঘটনা ঘটায় তাহলে রোগী এবং তাদের স্বজনদের নিরাপত্তা দিবে কে।

সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) নাটোরের সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক বলেন,

হাসপাতালের ভিতর তিন সুইপার মিলে রোগীর স্বজনের ধর্ষনের ঘটনায় সাধারন মানুষ ক্ষোভ জানালেও পুলিশ আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলারও শাস্তি চান নাটোরের সচেতন মহল।

নাটোর থানার ওসি মনসুর আহমেদ বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে থানায় ওই মহিলার বাবাকে ডেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে । এঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে  তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত অব্যাহত আছে। তাদেরকে মঙ্গলবারই কোন এক সময় আদালতে হস্তান্তর করা হবে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *