
স্টাফ রিপোর্টার
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে কলেজ ছাত্রীকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া এসিডে দগ্ধ হয়েছেন নানী হালিমা বেগম । নজরুল ও তার সহযোগীদের ছোড়া এসিড নিক্ষেপে হালিমা বেগম (৭০) গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রেম প্রস্তাব ও ইভটিজিং এবং পূর্ব শত্রতা থাকায় শনিবার রাত ২টার দিকে কলেজ ছাত্রী শাবানাকে কে লক্ষ্য করে এসিড ছুড়লেও তা লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়ে দগ্ধ হন নানী। অ্যাসিড দগ্ধ বৃদ্ধা গালিমা বেগম একই গ্রামের মৃত শুকচানের স্ত্রী।
এসিড দগ্ধ হালিমার মেয়ে ইউপি সদস্য চামেলী বেগম অভিযোগ করে বলেন, ম্প্রতি ১১ বছরের এক শিশুর ধর্ষণ মামলায় তিনি সাক্ষ্য দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তরা তাঁর পরিবারের ওপর প্রতিশোধমূলক ভাবে এ নৃশংস হামলা চালিয়েছে। এছাড়া তার মেয়েকেও কলেজে যাওয়া আসার পথে প্রেম প্রস্তাব ও ইভটিজিং করা হতো। এসব ঘটনার প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়েই গক রাতে তার মেয়ে শাবানাকে এসিড ছুড়লেও তা লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়ে দগ্ধ হন তার মা হালিমা বেগম। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত হালিমাকে প্রথমে গুরুদাসপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে নাটোর জেনারেল হাসপাতাল-এ রেফার্ড করা হয়।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি বলেন, শাবানা টর্চের আলোয় যারা এসিড নিক্ষেপ করেছে তাদেরকে চিনতে পেরেছে। মায়ের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি। তবে বিষয়টি উদাসপুর থানায় অবহিত করা হয়েছে।
সিভিল সার্জন মোঃ মুক্তাদির আরেফিন জানান, ভোর আনুমানিক ছয়টার দিকে এসিডে দগ্ধ একজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকরা তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বার্ন ইউনিট-এ পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
, এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#
