এএফপি

আবুধাবিতে ইরানি হামলার পর জায়েদ বন্দর থেকে ধোঁয়া উড়ছে। ছবি : রয়টার্স
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহতের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভূতপূর্ব শক্তি প্রয়োগের হুমকি উপেক্ষা করে ইরান রবিবার উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে হামলা চালিয়েছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড রবিবার নতুন করে ‘বৃহৎ পরিসরের’ হামলার ঘোষণা দেয় এবং রিয়াদ, দুবাই, আবুধাবি, দোহা, মানামা, জেরুজালেম ও তেল আবিবে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় চারজন নিহত হয়েছে বলে ইসরায়েলি উদ্ধার সংস্থা জানিয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান খামেনিরর হত্যাকে ‘মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সতর্ক করে বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক অপরাধের অপরাধী ও মূল পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়াকে ইরান তার বৈধ দায়িত্ব ও অধিকার হিসেবে বিবেচনা করে।
’
ইসরায়েল খামেনির মৃত্যুকে ‘প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি দাবি করেন, যৌথ অভিযান ‘ইসরায়েল থেকে এক হাজার মাইলেরও বেশি দূরে দুটি ভিন্ন স্থানে দিবালোকে এক মিনিটের মধ্যে খামেনিসহ ৪০ জন জ্যেষ্ঠ কমান্ডারকে নির্মূল করেছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের ভঙ্গি ও ভাষা অনুসরণ করে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রভাবশালী প্রধান আলি লারিজানি ঘোষণা করেন, ‘আজ আমরা তাদের ওপর এমন শক্তি প্রয়োগ করব, যা তারা আগে কখনো অনুভব করেনি।’
সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া মিশ্র ছিল; পোপ লিও চতুর্দশ উভয় পক্ষকে ‘সহিংসতার ঘূর্ণি’ বন্ধ করার আহ্বান জানান, আর চীন খামেনির হত্যাকে ‘ইরানের সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে নিন্দা করে।
অন্যদিকে ফ্রান্স খামেনির মৃত্যুর বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বিলেছে, ‘একজন রক্তপিপাসু স্বৈরশাসক, যিনি তার জনগণকে দমন করেছেন এবং নারী, তরুণ ও সংখ্যালঘুদের অবমাননা করেছেন।

