বগুড়ায় ৪৫ দিনেই মেয়ে থেকে ছেলেতে রুপান্তর !

স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের কৃষক জালাল হোসেনের মেয়ে জেসমিন আক্তার (১৬) । করোনা কারীন বন্ধের আগে নিয়মিতভাবে স্কুলে যাওয়া আসা করতেন মেয়ে হিসেবেই। কিন্তু অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে তার শাররীকভাবে পরিবর্তন আসে। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে সে মেয়ে থেকে ছেলেতে রুপান্তরিত হয়। বাবা মা জেসমনি আক্তারের নাম রেখেছেন জবায়েদ মন্ডল। এই পরিবর্তন এলাকায় ফেলেছে চাঞ্চল্য। অনেকেই জবায়েদকে দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন তার বাড়িতে।
জানা যায়, জেসমিন আক্তার ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে নানা-নানির বাড়ি উপজেলার শাওইলে বসবাস করেন। সেখানে জেসমিন আক্তার বড় হন এবং শাওইল দ্বীমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেন। দুই বছর আগে তার বাবা বিদেশ থেকে বাড়িতে এসে কৃষিকাজ করেন। জালালের সংসারে এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। তিনি বড় মেয়ে জেসমিন আক্তারকে পারিবারিকভাবে বিয়ে দেয়ার কথা ভাবছিলেন। এরপর বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে বন্ধ হয়ে যায় জেসমিনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।গত চার মাস আগে জেসমিনের কণ্ঠস্বর ছেলেদের মতো বদলে যেতে শুরু করে। তারপর থেকে তার আচার-আচরণ ছেলেদের মতো হতে থাকে। ৪৫ দিনের মাথায় জেসমিনের শারীরিক গঠন পরিবর্তন হয়ে ছেলেতে রূপান্তরিত হয়। এ ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে উৎসুক জনতা তাকে দেখতে তাদের বাড়িতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন।
জেসমিন আক্তার বলেন, ‘লেখাপড়ার পাশাপাশি নামাজ-রোজা ও তাহাজ্জুতের নামাজ পড়তাম। প্রথমে তেমন কিছু মনে হয়নি। তিনমাস আগে হঠাৎ একদিন আমার গায়ে জ্বর আসে। এরপর থেকে মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হই। এখন আমার নাম রাখা হয়েছে জুবায়েদ মণ্ডল। আমি এখন পূর্ণাঙ্গ পুরুষ এবং শারীরিকভাবে সুস্থ।’জেসমিনের বাবা জালাল হোসেন মন্ডল বলেন, মেয়ে থেকে ছেলেতে রুপান্তরিত হওয়ায় তিনি খুমী। কারণ এখন তিনি একজন ছেলে পেলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.