করোনায় নতুন রুপান্তর, দ্রুত ছড়ালেও তেমন বিপদ জনক নয়

0
দেশে কোভিড ১৯ জিনপরিবর্তন করেছে ৫৯০ বার : বিসিএসআইআর,সংবাদ শৈলী।

সংবাদ শৈলী অনলাইনঃ
নতুন এক ধরণের করোনা ভাইরাস ইউরোপসগ যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়ছে। গবেষনায় প্রমাণিত হয়েছে করোনার এই নতুন ভাইরাস বেশী পরিমাণে সংক্রমন ঘটালেও ফলাফল বিপদজনক নয়। অনেকটাই দুর্বল প্রকৃতির।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লা জোলা ইনস্টিটিউট ফর ইমিউনোলজি এবং করোনাভাইরাস ইমিউনোথেরাপি কনসোর্টিয়ামের এক গবেষণায় করোনাভাইরাসের রূপান্তর এবং সংক্রমণ নিয়ে নতুন এই তথ্য উঠে এসেছে। গবেষনায় ভ্যাকসিন দ্বারা ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় কিনা- এখন গবেষকরা সেটি পরীক্ষা করে দেখছেন।(তথ্য সুত্র সিএনএন )

স্পাইক প্রোটিনকে লক্ষ্য করে ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হয়েছে অধিকাংশই পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব ভ্যাকসিন ভাইরাসটির পুরনো স্ট্রেইন ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। গবেষকরা করোনাভাইরাসের নতুন রূপান্তরকে জি৬১৪ বলেছেন।

গবেষণায় লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির তাত্ত্কি জীববিজ্ঞানী বেত্তে করবার ও তার সহকর্মীরা বলেছেন, আমাদের বৈশ্বিক ট্র্যাকিং তথ্য-উপাত্ত দেখাচ্ছে, স্পাইকে ডি ৬১৪ চেয়ে দ্রæত ছড়িয়ে পড়ছে জি৬১৪। তারা বলেছেন, ভাইরাসটি আরও বেশি সংক্রামক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গবেষনায় রোগটির তীব্রতার ক্ষেত্রে জি৬১৪-এর প্রভাবের প্রমাণ পাইনি।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের মেডিক্যাল অনকোলজির অধ্যাপক লরেন্স ইয়ং বলেন, এটা সুসংবাদ হতে পারে। সাম্প্রতিক এই গবেষণা বলছে, করোনাভাইরাসের জি৬১৪ ভ্যারিয়েন্টটি আরও বেশি সংক্রামক হতে পারে। তবে এটা ততবেশি প্যাথোজেনিক নয়। গবেষকরা বলেছেন, মার্চের শুরুর দিকে জি৬১৪ ভ্যারিয়েন্টটি ইউরোপের বাইরে বিরল ছিল। কিন্তু মার্চের শেষের দিকে বিশ্বজুড়েই এর ফ্রিকোয়েন্স বৃদ্ধি পায়।

গবেষকদের দাবি করোনার নতুন সংস্করণটি উচ্চ শ্বাসনালী– নাক, সাইনাস এবং গলাতে দ্রুতগতিতে বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে। যে কারণে দ্রæতগতিতে ভাইরাসটির ছড়িয়ে পড়ছে। ব্রিটেনে হাসপাতালে ভর্তি এক হাজার করোনা রোগীর ওপর পরীক্ষায় দেখা গেছে- নতুন সংস্করণে আক্রান্তদের শরীরে ভাইরাসটির মূল স্ট্রেইনে আক্রান্তদের তুলনায় খারাপ কিছু ঘটেনি। (সুত্র সিএনএন)

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে